শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন

শিরোনাম
লোডশেডিংয়ে বিপাকে হিজলার এস এস সি পরিক্ষার্থীরা চোখে আঘাত করে স্বর্নালংকার টাকা নিয়ে পালালো চোর সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী জেবার বিরুদ্ধে ইসিতে অভিযোগ কলেজে ঢুকে শিক্ষিকাকে জুতাপেটা করলেন বিএনপি নেতা ভাণ্ডারিয়ায় ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থী ভাণ্ডারিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু চার জনকে গলাকেটে হত্যা মামলার দুই আসামির দুই দিনের রিমান্ড যোগদানের দ্বিতীয় দিনেই চমক দেখালেন ওসি গাজা গাছ সহ আটক মাদক ব্যবসায়ী মেহেন্দিগঞ্জে মৎস্য অভয়াশ্রম অভিযানে হামলা, আহত ৩ বিএনপির নাম ভাংগিয়ে লিজের পুকুরের মাছ লুটের চেষ্টা,চাষিদের উপর হামলা এমবিবিএস ডিগ্রি ছাড়াই ২০ বছর ধরে চোখের চিকিৎসা থানায় ডিউটি অফিসারকে ম্যাডাম বলায় যুবক আটক বরিশালে নারী শিক্ষার্থীকে বাসায় ডেকে এনে হত্যার অভিযোগ উজিরপুরে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষাঃ কেন্দ্র সচিবসহ দুই শিক্ষক বহিষ্কার চাচার হাতুড়িপেটায় ভেঙেছে হাত, শ্রুতিলেখকে পরীক্ষা দিচ্ছেন বিথী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: কর্মবিরতির পর এবার কমপ্লিট শাটডাউন ফুয়েল কার্ডের ছবি অমিল থাকায় গ্যারেজ কর্মচারীকে ইউএনওর থাপ্পড় বরিশালের দুই বাস টার্মিনাল ইজারার নামে সড়ক থেকে কোটি টাকার চাঁদাবাজি পেট্রোল সংকট নিরসনে ইউএনওর উদ্যোগ,স্বস্তিতে এলাকাবাসী বরিশালে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্‌যাপন
চার জনকে গলাকেটে হত্যা মামলার দুই আসামির দুই দিনের রিমান্ড

চার জনকে গলাকেটে হত্যা মামলার দুই আসামির দুই দিনের রিমান্ড

প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলাকেটে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামিকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোনাবিল হক ওই দুইজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নিয়ামতপুর থানা পুলিশের উপ—পরিদর্শক (এস আই) চাঁদ আলী রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩৫) ও তার স্ত্রী পপি সুলতানাকে গলাকেটে এবং তাদের সন্তান পারভেজ রহমান (৯) ও সাদিয়া আক্তারকে (৩) মাথায় ও ঘাড়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের জড়িত অভিযোগে নিহত হাবিবুরের ভগ্নিপতি শহিদুল, ভাগনে শাহিন এবং সবুজ রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) তাদেরকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে নেওয়ার পর আসামি সবুজ রানা আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। অপর দুই আসামি শহিদুল ও শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে তাদের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চাঁদ আলী বলেন, গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গ্রেফতার তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি সবুজ রানা দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে রাজি হলে বিচারক তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে সবুজকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর দুই আসামি শহিদুল ও তার ছেলে শাহিনের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তাদের দুইজনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রিমান্ড শুনানি নিয়ে আদালত তাদের দুইজনকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার অপর আসামিদের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নেওয়ার জন্য তাদের দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

তিনি আরও জানান, বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সবুজ রানা বলেন, নানা নমির উদ্দিনের কাছ থেকে বেশি জমি লিখে নেওয়ায় সবুজ ক্ষুব্ধ ছিল। জমির ভাগ—বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জেরে এর আগে মামাকে নির্বংশ করার হুমকিও দিয়েছিল। জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই সবুজ, শহিদুল ও শাহিন পরিকল্পনা করে তার মামা হাবিবুর, মামি পপি সুলতানা, মামাতো ভাই পারভেজ ও মামাতো বোন সাদিয়াকে গলাকেটে হত্যা করে। ঘটনার দিন সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে সবুজ তার মামা হাবিবুরের সঙ্গে গরু কিনতে উপজেলার ছাতড়া হাটে যান। গরু না কিনেই তারা সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে আসেন। বাজার থেকে ফিরে এসে তার খালু শহিদুল ও খালাতো ভাইয়েরা মিলে এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে।

তিনি আরও বলেন, সোমবার রাতে মামার বাড়িতে কাঁঠালের তরকারি দিয়ে ভাত খায়। এ সময় শাহিনও বাড়িতে অন্যদের অগোচরে বাড়িতে ঢুকে বাড়ির একটি ঘরে লুকিয়ে থাকে। সবুজ ভাত খেয়ে চলে যায়। রাতের খাবার বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে গেলে শাহিন বাড়ির মূল দরজা খুলে দেন। এ সময় শহিদুল ও সবুজসহ ছয়জন বাড়িতে প্রবেশ করে। প্রথমেই সবুজ তার নানা নমির উদ্দিনের ঘরের দরজা বাইরে থেকে শিকল দিয়ে আটকে দেয়। পরে তারা একে একে হাবিবুরের কক্ষে ঢুকে। সবুজ ও শহিদুল হাবিবুরকে চেপে ধরে এবং শাহিন ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। মামি পপি সুলতানা দুই সন্তানকে নিয়ে অন্য ঘরে শুয়ে ছিল। শব্দ পেয়ে পপি ঘর থেকে বের হলে শহিদুল পেছন থেকে হাসয়া দিয়ে মাথায় আঘাত করে। আঘাত পেয়ে পপি পড়ে গেলে তাকে গলা কেটে হত্যা করে সবুজ। পরে ঘরের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা শিশু পারভেজ ও তার বোন সাদিয়াকে গলাকেটে হত্যা করে শাহিন ও সবুজ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© 2019, All rights reserved.
Design by RaytaHost
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com