মঙ্গলবার, ০৯ Jun ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীর বাগমারা থানায় নিজ কার্যালয়ে বসে ঘুস গ্রহণের অভিযোগে এক পুলিশ পরিদর্শককে থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) দুপুরে অভিযুক্ত কমলেশ দাসকে বাগমারা থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। এর আগে রোববার রাতে ঘুস গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা—সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
৫২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কমলেশ দাস নিজ দপ্তরে বসে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খাম গ্রহণ করেন। পরে টেবিলের নিচে খাম থেকে টাকা বের করেন, যার অধিকাংশই ছিল এক হাজার টাকার নোট। একপর্যায়ে তিনি দ্রুত নোটগুলো গুনে নিজের মানিব্যাগে রাখেন। এ সময় তাকে অর্থদাতার দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে কথা বলতে দেখা যায়। পরে টেবিলের ওপর থাকা লাল রঙের একটি খাতায় লেখা কিছু বিষয় ওই ব্যক্তিকে দেখান তিনি।
রোববার রাতে ‘কাজিম বাবু’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে প্রথম ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়। মুহূর্তের মধ্যেই সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ভিডিওতে যার কাছ থেকে ওই পুলিশ কর্মকর্তা খামটি গ্রহণ করেছেন, তাকে স্পষ্টভাবে দেখা বা শনাক্ত করা যায়নি।
কমলেশ দাস প্রায় তিন মাস আগে বাগমারা থানায় ওসি হিসেবে যোগদান করেন।
এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কে, কখন এবং কিভাবে ভিডিওটি ধারণ করেছে, তা আমি বুঝতে পারছি না। তবে কেউ রেশন নিয়ে এমনটি করতে পারে।
রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বাগমারা থানা থেকে প্রত্যাহার করে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।