, , ,
শিরোনাম
মেহেন্দিগঞ্জে ৫বছরের শিশু মাদ্রাসা থেকে আদালতের বারান্দায় পুলিশের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তন ভাণ্ডারিয়ায় আল-গায়যালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার ফাজিল পরীক্ষার কেন্দ্র স্থগিত কাউখালীতে বাল্যবিবাহ ও মাদক প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সমাবেশ, চার কিশোরী পেলেন লক্ষাধিক টাকার চেক উজিরপুরে বি.এন. খান কলেজের নাম ব্যবহার করে পৈতৃক সম্পত্তি দখলচেষ্টার প্রতিবাদে নগরীতে মানববন্ধন ঝাড়ফুঁকের নামে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলে অর্থায়নের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার কাউখালীতে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নল‌ছি‌টি‌তে প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত ১০৭ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা নতুন করে ইরানে দফায় দফায় হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের
পছন্দের ক্লিনিকে টেস্ট না করায় চিকিৎসকের ‘দুর্ব্যবহার’

পছন্দের ক্লিনিকে টেস্ট না করায় চিকিৎসকের ‘দুর্ব্যবহার’

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

বরিশাল শের—ই—বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের এক চিকিৎসকের পছন্দের ক্লিনিকে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা না করানোয় রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি রোগী অন্য ক্লিনিক থেকে পরীক্ষা করিয়ে নিয়ে গেলেও সেই রিপোর্ট না দেখেই ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মেডিকেল অফিসার রমজান আলীর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় তথ্য জানতে গেলে সাংবাদিকের কাছে নিজের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন অভিযুক্ত চিকিৎসক।

নগরীর কাউনিয়া ব্রাঞ্চ রোড এলাকার বাসিন্দা মো. সরুজ মল্লিকের স্ত্রী মোসা. নাজমা বেগম বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে মাথাব্যথায় ভুগছেন তিনি। বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শেবাচিম হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের নিচতলায় ডা. রমজান আলীকে দেখানোর জন্য লাইনে দাঁড়ান। প্রায় তিন ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক তাকে দেখেন এবং কয়েকটি পরীক্ষা করাতে বলেন।

নাজমার অভিযোগ, এ সময় চিকিৎসক এক নারীকে দেখিয়ে তার মাধ্যমে নির্দিষ্ট একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা করানোর কথা বলেন। তবে সেখানে পরীক্ষা না করিয়ে অন্য একটি ক্লিনিক থেকে তুলনামূলক কম খরচে পরীক্ষা করান তিনি।

পরে রিপোর্ট নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে কেন তার সুপারিশ করা ক্লিনিক থেকে পরীক্ষা করানো হয়নি, তা জানতে চান রমজান আলী।

নাজমার অভিযোগ, এ সময় তাকে বকাঝকা করা হয় এবং রিপোর্ট না দেখেই ব্যবস্থাপত্র লিখে দেওয়া হয়। প্রতিবাদ করলে চিকিৎসকের সহযোগীরা তাকে কক্ষ থেকে বের করে দেন।

নাজমা বলেন, আগেও ওই চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম। তখনও তার কথামতো নির্দিষ্ট ক্লিনিক থেকে পরীক্ষা করিয়েছি। এবার অন্য জায়গা থেকে পরীক্ষা করায় আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীর বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসক রমজান আলীর বিরুদ্ধে আগেও কিছু অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, হাসপাতালে যোগদানের পর থেকেই পরিবেশ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন। রোগীদের হয়রানি ও দালালদের তৎপরতা বন্ধে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। দালাল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost