, , ,
শিরোনাম
পুরোদমে শুরু আদ্-দ্বীন হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম পাবনায় বিএনপি-জামায়াত পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা ভাড়া বাসায় মিললো পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আড়িয়াল খাঁ নদে: মুলাদী, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জে বিদ্যুৎ-বিভ্রাট জুলাই পদযাত্রায় হামলা, সারজিস-পাটওয়ারী আহত হিজলায় স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলার অভিযোগ উঠেছে মেয়ের আত্মহত্যার ৩ মাস পর পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাজধানীতে দেয়াল ধসে টিসিবির লাইনে থাকা নারীর মৃত্যু, আহত অন্তত ৬ বেহাল অবস্থায় কাজিরহাটের ব্যাংকেরহাট ব্রিজ কুয়াকাটায় সাংবাদিককে হাতুড়িপেটার মামলায় দুই আসামি গ্রেফতার
পিরোজপুরে বকেয়া ৪০-৪২ লাখ টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীর মাইকিং

পিরোজপুরে বকেয়া ৪০-৪২ লাখ টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীর মাইকিং

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

পিরোজপুরের পাড়েরহাট এলাকায় দীর্ঘদিনের বকেয়া টাকা পড়ে থাকায় বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বাদশা। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে বকেয়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০—৪২ লাখ টাকা। পাওয়া টাকা আদায়ে হালখাতার আয়োজনও করেছেন তিনি। কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাননি। শেষ পর্যন্ত মাইকিং করে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল থেকে মাইক ভাড়া করে পাওনাদারদের উদ্দেশে তাকে টাকা পরিশোধের আহ্বান করতে দেখা যায়। মাইকিং চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের ‌‘মেসার্স আদিল আহনাফ এন্টারপ্রাইজ’ ও ‘মেসার্স হাওলাদার ব্যাটারী’ নামের দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ শংকরপাশা গাজী বাড়ির বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বাদশা। তিনি ২০১৯ সাল থেকে মুদি মালামাল, ইজিবাইক, ব্যাটারি ও বিভিন্ন খুচরা যন্ত্রাংশের ব্যবসা করে আসছেন। দীর্ঘ সাত বছরে বাকিতে পণ্য বিক্রির কারণে বর্তমানে তার ৪০—৪২ লক্ষ টাকা বকেয়া পড়ে গেছে।

অতিরিক্ত বাকি লেনদেনের কারণে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। বকেয়া টাকা আদায়ে বৃহস্পতিবার তার দোকানে হালখাতার আয়োজন করা হয়। তবে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় সকাল থেকে তিনি মাইক ভাড়া করে পাওনাদারদের উদ্দেশে টাকা পরিশোধের আহ্বান জানান।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বাদশা বলেন, ‘আমি ২০১৯ সাল থেকে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। আমি মানুষের সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি, যাতে আমারও ব্যবসা হয় এবং অন্য মানুষের উপকার হয়। এভাবেই আমি অনেক মানুষকে ব্যাটারি বাকিতে দিয়েছি, কিস্তিতে দিয়েছি। যখন যে আমার কাছে এসেছে, আমি তাকে সহযোগিতা করেছি। এমনও হয়েছে সকালে মাল নিছে বিকেলে দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু বিকেল তো বিকেল, ছয় মাসেও কোনো খোঁজ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাত বছরের মধ্যে আগেও একবার হালখাতা করেছি। টাকা না পেয়ে আবারও হালখাতা করেছি। যাদের কাছে টাকা পাই, মাইক ভাড়া করে তাদের নাম ধরে ডাকছি। এরপরও যদি আমার টাকা পরিশোধ না করে, তাহলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাইকিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

স্থানীয় বাসিন্দা শরীফ শেখ বলেন, ‘মানুষের কাছে ৪০—৪২ লাখ টাকা পাবে কিন্তু তারা টাকা দিচ্ছে না, এমনকি দোকানের কাছেও আসে না। তাদেরকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বলা হয়েছে। এমনকি হালখাতার কার্ড দেওয়া হয়েছে। আমার কাছেও এক লাখ টাকা পাইতেন, আমি পরিশোধ করেছি। তিনি আমার যে উপকার করেছেন তা আমার বাবাও করেনি। আমার মতো যদি সবাই টাকা পরিশোধ করতো, তাহলে এই মানুষটির কোনো কষ্ট থাকতো না।’

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost