
পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের কৃষকদের সবজি উৎপাদনে উৎসাহিত করতে এবং বর্ষা মৌসুমে বাজারে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৫০০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন জাতের সবজির বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুর ১২টায় উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে নির্বাচিত কৃষকদের হাতে এ প্রণোদনা তুলে দেওয়া হয়।বিতরণকৃত উপকরণের মধ্যে ছিল ৭ ধরনের সবজির বীজ—কলমি শাক, পুঁইশাক, হাইব্রিড লাউ, মিষ্টি কুমড়া, চাল কুমড়া, বেগুন ও শসা। এছাড়া প্রতিটি কৃষককে ডিএপি (উঅচ) ও এমওপি (গড়চ) রাসায়নিক সার প্রদান করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ,উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার হালদার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাইনুল হুদা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ—সভাপতি শাহ ইমরান ফারুক, উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, বিএনপি নেতা জিয়াউল হক হিরো ও তারিকুল ইসলাম পান্নুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন,বর্ষাকালে সবজি চাষে প্রান্তিক কৃষকদের নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়। সরকারি এই প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকরা যেমন মানসম্মত বীজ ও সার পাচ্ছেন, তেমনি বর্ষা মৌসুমে বাজারে সবজির ঘাটতি পূরণ করতে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে। আমরা মাঠ পর্যায়ে প্রণোদনার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে সার্বিক পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস বলেন,আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে অতিবৃষ্টির কারণে অনেক সময় সবজির আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে বাজারে সংকট তৈরি হয়ে দাম বৃদ্ধি পায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং কৃষকদের উৎপাদনমুখী রাখতে সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে এসব বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। এতে বর্ষাকালেও উপজেলার সবজির উৎপাদন স্বাভাবিক থাকবে।