, , ,
শিরোনাম
বাংলাদেশ গ্রীন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে হাতেম আলী কলেজে ফলজ বৃক্ষরোপণ মঠবাড়িয়ায় যাত্রা শুরু করল ড্রিম জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ একাডেমি কাজিরহাটে ৪৮ ঘন্টা পর লতা নদী থেকে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার থানায় হামলা, পুলিশ পরিচয়ে টাকা নিয়েও মামলার আসামি যুবলীগ নেতা বাবুগঞ্জে নির্মাণাধীন বাড়িতে ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুট। ববিতে সাংবাদিক হেনস্তাঃ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার তীব্র নিন্দা জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান বিশ্বকাপ জিতে যে বিশ্বরেকর্ড গড়ল স্পেন বরিশালে পরকীয়া প্রেমের ঘটনা আড়াল করতে ‘ডাকাতির’ নাটক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ৩ সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ফ্ল্যাটে মিলল ২০ লাখ টাকার ঘড়ি, ৮০০ কোট-টাই
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩০ জন বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) চিকিৎসক মোহাম্মদ লোকমান হাকিম।

মারা যাওয়া শিশুরা হলো— পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মো. মনিরুজ্জামানের সাড়ে চার মাস বয়সি সন্তান আলী আজগর এবং পটুয়াখালী সদর উপজেলার হাজীখালী এলাকার রাহাত গাজীর সাড়ে তিন মাস বয়সি ছেলে মুয়াজ গাজী।

হামের উপসর্গ নিয়ে আলী আজগরকে ১৭ মে ও মুয়াজকে ১৮ মে বরিশাল শের—ই—বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার বিকালে তাদের মৃত্যু হয়।

এ নিয়ে বরিশাল শের—ই—বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৬ শিশুর মৃত্যু হলো।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৩৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১৩০ জন।

বিভাগে এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা ছয় হাজার ৮৩ জন। এদের মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮৯ জন। মারা যাওয়া রোগীর মধ্যে শের—ই—বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৬ জন, ভোলায় ছয়, বরগুনায় পাঁচ ও ঝালকাঠিতে দুইজন। এর মধ্যে তিনজনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ লোকমান হাকিম বলেছেন, হাম আক্রান্তরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে প্রধান নিউমোনিয়া। হাম আক্রান্তরা দেরি করে হাসপাতালে আসার কারণে নিউমোনিয়া জটিল আকার ধারণ করে। তাই শিশুকে রক্ষা করা যায় না। এক্ষেত্রে দ্রুত সময়ের মধ্যে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost