সোমবার, ০১ Jun ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ করেছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন।
সোমবার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
দীর্ঘ ১৯ বছর সরকারি চাকরি করার পর ২০০৫ সালে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন দীপেন দেওয়ান। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। সেদিন বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচন হন তিনি।
দীপেন দেওয়ানের প্রায়ত বাবা বিএনপি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে দীপেন দেওয়ান ছাত্রজীবন থেকে কিছুটা সক্রিয় থাকলেও পরিবারের ইচ্ছায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে আইন বিভাগে লেখাপড়া শেষ করে বিসিএস কর্মকর্তা হিসেবে জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগদান করেন।
দীপেন দেওয়ান আজীবন সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্টার্ড গ্রাজুয়েট, আজীবন সদস্য রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি রাঙামাটি ইউনিট, আজীবন সদস্য এফপিএবি রাঙামাটি, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাঙামাটি আইন কলেজ ও সাবেক সভাপতি, রাঙামাটি জেলা বিএনপি।
২০০৫ সালে বিএনপি সরকারের শেষ সময়ে এসে বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ ১৯ বছরের জুডিশিয়াল সার্ভিসের চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যহতি নিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হন। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে সাবেক সিনিয়র যুগ্ম জেলা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
রাঙামাটি বিএনপি তৃণমূলের নেতাকর্মীরা যখন কোন অভিভাবক পাচ্ছিল না তখন দীপেন দেওয়ান রাঙামাটি জেলা বিএনপির ত্রাণকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। এতে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ধীরে ধীরে রাজনীতিতে সক্রিয় হতে শুরু করেন দীপেন দেওয়ান নেতৃত্বে। সংগঠন গুছিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিসহ নানা কর্মসূচি পালন করতে থাকেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির কার্যালয় প্রাঙ্গনে।
দীপেন দেওয়ান প্রথমে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং পরবর্তীতে জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দীপেন দেওয়ান এর বাবা প্রয়াত সুবিমল দেওয়ান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মন্ত্রী পদমর্যাদায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাঙামাটি জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠা কালিন কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন এবং পরবর্তীতে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।