, , ,
শিরোনাম
ভান্ডারিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে ভার্চুয়ালে উদ্বোধন করেন — গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ভাণ্ডারিয়ায় সমতার তারন্য বিষয়ে যুবদের সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে জাতীয় পার্টির নেতা হাবুলকে আটকের পর, মুচলেকা নিয়ে মুক্তি বামনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর সমাপনীর শুভ উদ্বোধন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও বিনষ্ট: উদ্ধারকৃত ইলিশ এতিমখানায় দান উজিরপুরে দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে পূজামণ্ডপে পলাশ কুণ্ডু ভাণ্ডারিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে পল্লী চিকিৎসক নেতাসহ দুজনকে কুপিয়ে জখম পিরোজপুরে ইউপি সদস্যের নামে জেলে কার্ড, পাচ্ছেন বরাদ্দের চাল বরিশালে জাতীয় পার্টির মহানগর আহ্বায়ক হাবুল আটক
হিজলার মেঘনায় ফিরছে দেশীয় পাঙ্গাশ, মৎস্য অধিদপ্তরের ২৪ ঘণ্টার নজরদারিতে মিলছে সুফল

হিজলার মেঘনায় ফিরছে দেশীয় পাঙ্গাশ, মৎস্য অধিদপ্তরের ২৪ ঘণ্টার নজরদারিতে মিলছে সুফল

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে মৎস্য অধিদপ্তরের দিনরাত ২৪ ঘণ্টার নজরদারি ও অব্যাহত অভিযানের সুফল মিলতে শুরু করেছে। কয়েকদিন ধরে নদীতে প্রচুর পরিমাণে বড় আকারের দেশীয় পাঙ্গাশ ধরা পড়ছে, যা স্থানীয় জেলেদের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে পাঙ্গাশের পোনা ধরার চাই ও রাক্ষুসে বেহুন্দী জালের ব্যবহার দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদনের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এসব অবৈধ জালের কারণে বিপুল পরিমাণ মাছের পোনা নিধন হওয়ায় দেশীয় পাঙ্গাশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছিল।

মৎস্য অধিদপ্তর সম্প্রতি মেঘনা নদীতে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে পাঙ্গাশের পোনা ধরার চাই ও রাক্ষুসে বেহুন্দী জাল উচ্ছেদ করছে। ফলে মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে নদীতে বড় বড় দেশীয় পাঙ্গাশ ধরা পড়ছে বলে জানিয়েছেন জেলেরা।

স্থানীয় জেলেরা জানান, কয়েকদিন ধরে তাদের জালে বড় আকারের দেশীয় পাঙ্গাশ ধরা পড়ছে, যা বিগত কয়েক বছরে খুব একটা দেখা যায়নি। নদীতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা অর্থনৈতিকভাবেও লাভবান হওয়ার আশা করছেন।

হিজলা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম বলেন, “বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে গত দুই বছর ধরে সব ধরনের অবৈধ বেহুন্দী জাল, পাঙ্গাশের পোনা ধরার চাই এবং সুতার তৈরি লাইন বর্শি উচ্ছেদে আমরা সফল হয়েছি। একই সঙ্গে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা নদীতে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে নদীতে দেশীয় পাঙ্গাশের আধিক্য লক্ষ করা যাচ্ছে।

সাধারণত শীত মৌসুমে সীমিত পরিমাণে পাঙ্গাশ পাওয়া গেলেও এবার মৌসুমের বাইরে গিয়েও জেলেদের জালে বড় আকারের দেশীয় পাঙ্গাশ ধরা পড়ছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক লক্ষণ। এটি প্রমাণ করে যে, পোনা নিধন ও অবৈধ মাছ শিকার বন্ধ করা গেলে নদীর মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। আমাদের এই অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকলে মেঘনা নদীতে দেশীয় মাছের প্রাচুর্য আরও বৃদ্ধি পাবে এবং নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অবৈধ জাল ও পোনা নিধন বন্ধে মৎস্য অধিদপ্তরের এ ধরনের কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকলে মেঘনা নদীর হারিয়ে যাওয়া দেশীয় মাছের প্রাচুর্য আবারও ফিরে আসবে এবং নদীকেন্দ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost