, , ,
শিরোনাম
বামনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা সংবর্ধনা ও অনুষ্ঠান কাজীরহাটে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল অনুষ্ঠিত ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা গৃহকর্মী কিশোরী, গর্ভপাতের পর ৬ মাসের বাচ্চাকে নদীতে নিক্ষেপ রাতে কুকুরের আড্ডা, সকালে সেই খাট্টায় বিক্রি হচ্ছে মাংস রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে হট্টগোল-বিশৃঙ্খলায় ‘দুঃখিত-লজ্জিত’ রাষ্ট্রপতি হাম সন্দেহে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষায় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী মেহেন্দিগঞ্জে ৩৪ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী আটক জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহত পরিবার পাবেন মিরপুরে ফ্ল্যাট-গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শ্রদ্ধা, স্মরণ ও সংবর্ধনায় উজিরপুরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত
রাতে কুকুরের আড্ডা, সকালে সেই খাট্টায় বিক্রি হচ্ছে মাংস

রাতে কুকুরের আড্ডা, সকালে সেই খাট্টায় বিক্রি হচ্ছে মাংস

Reporter
প্রতিবেদক : অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত : বুধবার, ০৫ আগস্ট, ২০২৬

বরিশালের মুলাদী পৌর সুপার মার্কেটের কাঁচাবাজারে মাংসের দোকানগুলোতে বেওয়ারিশ কুকুরের অবাধ বিচরণ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দোকান বন্ধ থাকার সুযোগে রাতে ও ভোরে মাংস কাটার কাঠের গুঁড়ি (খাট্টা) ও দোকানের আশপাশে কুকুরের অবস্থান এবং ময়লা করার ঘটনায় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন ক্রেতারা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রতিদিন যে কাঠের গুঁড়ির ওপর খাসি ও গরুর মাংস কাটা হয়, রাতে দোকান বন্ধ হওয়ার পর সেগুলোর ওপরই একাধিক কুকুর উঠে বসে বা ঘুমায়। অনেক সময় গুঁড়িতে লেগে থাকা রক্ত ও মাংসের অংশ চাটাচাটি করে কুকুরগুলো। পরে সকালে যথাযথভাবে পরিষ্কার না করেই সেসব স্থানে আবার মাংস কেটে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ তাঁদের।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সরেজমিন দেখা যায়, বাজার বন্ধের সময়ে মাংস বিক্রির স্থানে একাধিক বেওয়ারিশ কুকুর খাটিয়া ও মেঝের ওপর স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুমাচ্ছে। এতে বাজারের সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সচেতন মহল।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘প্রথম শ্রেণির মুলাদী পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি বাজারে স্বাস্থ্যবিধির এমন অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। মাংসের দোকানগুলোতে কুকুর প্রবেশ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং নিয়মিত বাজার তদারকি করা জরুরি।’

মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ী আবুল কালাম খান বলেন, ‘বিকেল ও সন্ধ্যার পর মাংসের দোকানগুলোতে কুকুর ঢুকে নোংরা করে। অনেক সময় ব্যবসায়ীরা ভালোভাবে পরিষ্কার না করেই সেখানে মাংস বিক্রি করেন। সাধারণ মানুষ না জেনে এসব মাংস কিনে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন। ব্যবসায়ীদের আরও সচেতন হতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, মাংসের দোকানের চারপাশে নেট বা নিরাপত্তাব্যবস্থা করা যেতে পারে। পাশাপাশি প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, ‘মাংস ব্যবসায়ীদের নিয়ে সভা করে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করা হবে। এরপরও নিয়ম না মানলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost