মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বহুল আলোচিত ডাকাতি মামলার পলাতক এক কুখ্যাত ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে র্যাব -৮ । রবিবার (১৭ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার শিয়ালকাঠী এলাকায় অভিযান চালিয়ে জোলাগাতি গ্রামের জাকির আকনের ছেলে ডাকাত মোঃ আলামিন আকন (৩৮)কে গ্রেফতার করেছে।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল, কাউখালী থানা পুলিশের সহযোগিতায় আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আলামিন আকনের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আলামিন কাউখালী থানার একটি চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ফেব্রুয়ারি ২০২৬ গভীর রাতে উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা গোলাম মোস্তফার বসতবাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাত দল বাড়ির বারান্দার দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে। পরে নগদ ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০০ টাকা, ২২ ভরি ১০ আনা স্বর্ণালংকার, ৬০০ মার্কিন ডলারসহ প্রায় ৬০ লাখ ৯৫ হাজার ৮৫০ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।ঘটনার পর ভুক্তভোগী গোলাম মোস্তফা কাউখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেফতারের জন্য র্যাব -৮ এর সহায়তা চান।
গ্রেফতারকৃত আলামিন আকনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাউখালী থানায় রাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডাকাতির শিকার গোলাম মোস্তফা বলেন,“সেদিনের ঘটনা এখনো আমাদের পরিবারকে আতঙ্কিত করে রাখে। অস্ত্রের মুখে সবাইকে বেঁধে ফেলে তারা সবকিছু লুট করে নেয়। প্রধান আসামিদের একজন গ্রেফতার হওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি। বাকি আসামিদেরও দ্রুত গ্রেফতার চাই।
র্যাব-৮ এর এক কর্মকর্তা জানান, “চাঞ্চল্যকর এ মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অন্যান্য জড়িতদেরও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
কাউখালী থানার ওসি মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন, উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে বাগেরহাটের শরণখোলা, মংলা ও ফকিরহাট এবং পিরোজপুর জেলার কাউখালী ও ভান্ডারিয়া থানায় ডাকাতি, দস্যুতা, চুরি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ০৬ টি মামলা রয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সোমবার পিরোজপুরে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।