, , ,
শিরোনাম
সরকারি খাস জমি দখল করে রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, ইউএনওর হস্তক্ষেপ কামনা সহপাঠীকে হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন চোরকে বেঁধে ন্যাড়া করে দিলো গ্রামবাসী মানবিক বিভাগের ডিগ্রি নিয়ে বাণিজ্য শাখায় শিক্ষকতা, কাশিপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ আনন্দ ভ্রমণেই শেষ যাত্রা: শাপলা বিলে ডুবে তরুণ পর্যটকের মৃত্যু উজিরপুরে নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান, জব্দ ৩০ লাখ টাকার জাল বামনার ডৌয়াতলায় পূবালী ব্যাংক পিএলসি—র উদ্যোগে ‘ক্যাশলেস লেনদেন ও ডিজিটাল ব্যাংকিং’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢালাইয়ের পরই সেতুর পাটাতনে ধস, তদন্তে ২ কমিটি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট
কাউখালীতে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো অপরিপক্ক লিচু-আমের ছড়াছড়ি স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

কাউখালীতে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো অপরিপক্ক লিচু-আমের ছড়াছড়ি স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো অপরিপক্ক লিচু ও আম। মৌসুম শুরুর আগেই বাজারে এসব ফল উঠায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এসব অপরিপক্ক ও কেমিক্যাল মিশ্রিত ফল খেলে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।

শুক্রবার (১৫ মে) উপজেলা সদরের দক্ষিণ বাজারে সাপ্তাহিক হাট ঘুরে দেখা গেছে, দোকান, রাস্তার পাশ, বাজার ও ভ্যানগাড়িতে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে অপরিপক্ক লিচু ও আম। শিশুদের আবদারের কারণে অনেক অভিভাবক বাধ্য হয়ে এসব ফল কিনছেন। ৫০ পিস আটি বাঁধা লিচু বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়। আর বিভিন্ন আকর্ষণীয় নাম ব্যবহার করে অপরিপক্ক আম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০ থেকে ১৫০ টাকায়।
উপজেলার একাধিক ক্রেতা জানান, “দেখতে সুন্দর মনে হওয়ায় কিনেছিলাম। কিন্তু খাওয়ার পর বুঝেছি এগুলো একেবারেই স্বাদহীন। পাতলা বাকল, বড় বিচি ও টক স্বাদের কারণে মুখে দিয়ে ফেলে দিতে হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বোম্বাই ও মাদ্রাজি জাতের লিচুর মৌসুম শুরু হবে মে মাসের শেষ দিকে। আর বেদানা ও চায়না-৩ জাতের লিচু পাওয়া যাবে জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে। এর আগে বাজারে আসা অধিকাংশ লিচুই কৃত্রিমভাবে পাকানো অপরিপক্ক লিচু বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস বলেন, স্বাভাবিক সময়ের আগে বাজারে আসা লিচু ও আম নিয়ে ক্রেতাদের সতর্ক থাকতে হবে। অধিক মুনাফার আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কেমিক্যাল ব্যবহার করে অপরিপক্ক ফল বাজারজাত করছে। প্রাকৃতিকভাবে পাকা ফলের জন্য নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত।
 ক্রেতা রায়হান  বলেন, “বাচ্চারা দেখে লিচু খেতে চায়। তাই কিনতে হয়। কিন্তু খাওয়ার পর বুঝি এগুলো আসল পাকা ফল না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ  সুব্রত কর্মকার বলেন, “কেমিক্যাল মেশানো অপরিপক্ক লিচু ও আম খেলে লিভার ও কিডনির মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া পেটের পীড়া, বমি, ডায়রিয়াসহ নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদী এসব রাসায়নিক ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “অপরিপক্ক ও কেমিক্যাল মিশ্রিত ফল বিক্রির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে এসকল ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost