শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
আ.লীগ নেতার স্ত্রী-মা ঢাকায়, লুটপাটের পর গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাড়ি বরগুনায় আবারও ইসমাইল শাহের মাজারে অগ্নিসংযোগ মঠবাড়িয়ায় ‘কৃষক স্মার্ট কার্ড’ বিতরণের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন কাউখালীতে শ্রমিক দলের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ থানার ব্যারাক থেকে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার দৌলতখানে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জন গ্রেপ্তার প্রাথমিকে বদলি কমিটিতে ‘গণ্যমান্য ব্যক্তি’ বাদ, যুক্ত হলো সাত শর্ত সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা ও ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ যেকোনো সময় ইসরায়েলে হামলা, হিজবুল্লাহকে প্রস্তুত থাকতে বললো ইরান কারাগার থেকে পালাল নারী বন্দি, বরখাস্ত ৭
ভিসি অপসারণের দাবিতে উত্তাল পবিপ্রবি, অচল প্রশাসনিক কার্যক্রম

ভিসি অপসারণের দাবিতে উত্তাল পবিপ্রবি, অচল প্রশাসনিক কার্যক্রম

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। শিক্ষক, কর্মকর্তা—কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের টানা কর্মবিরতি এবং ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

সোমবার (১৮ মে) আন্দোলনের অষ্টম দিন ও ষষ্ঠ কার্যদিবসে বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা।

এ সময় প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের কার্যালয়, রেজিস্ট্রার দপ্তরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অফিসে তালা ঝুলতে দেখা যায়।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, আন্দোলনরত শিক্ষক—কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনায় উপাচার্যের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

একই সঙ্গে উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের পদত্যাগ দাবি পুনর্ব্যক্ত করে তাকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না দেওয়ার ঘোষণাও দেন আন্দোলনকারীরা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন— অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু বক্কর ছিদ্দিক, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. শহিদুল ইসলাম মৃধা এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা জনি প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও ঘোষণা দেন তারা।

চলমান কর্মসূচির কারণে প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের দুর্ভোগ বাড়ছে। এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ও শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষার্থী।

তবে উদ্ভূত পরিস্থিতি ও আন্দোলনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost