বৃহস্পতিবার, ১৬ Jul ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মির্জাগঞ্জে জুলাই শহীদ দিবস পালিত বিছানায় পড়ে ছিল স্বামী-স্ত্রীর লাশ, পাশেই মিলল শিশুসন্তান ও চিরকুট বরিশাল শিল্প মেলায় ২০০ ব্যবসায়ীর মালামাল আটকে রাখার অভিযোগ পিরোজপুরে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগ মাইলস্টোনের টিসি পাওয়া ছাত্রী আইডি কার্ড গায়ে আন্দোলনে, থানায় জিডি কর্তৃপক্ষের ৪৫ বছর পর শহীদ জিয়ার খুনি মোজাফফর গ্রেফতার কাজিরহাটে মাদকের গডফাদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান জোরদারের দাবি, মূল হোতা ও অর্থদাতাদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান চেক প্রতারণা মামলায় বরিশালে সাবেক কাউন্সিলরের ভাইয়ের ৮ মাসের কারাদণ্ড, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি বজ্রপাতে নদীতে নিখোঁজ ট্রলার মাঝির মরদেহ ২ দিন পর মিলল সাগরে ঘনীভূত হতে পারে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
বাকেরগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বাকেরগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১০৮ নং মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুন্নাহারের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও জমিদাতারা এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​গত ১৬ জুন ম্যানেজিং কমিটির মনোনয়নপত্র ক্রয়ের শেষ দিনে প্রধান শিক্ষক বাথরুমে লুকিয়ে থেকে সাধারণ প্রার্থী ও জমিদাতার অভিভাবকদের ফরম দেওয়া থেকে বঞ্চিত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে শিক্ষা অফিসারের প্রতিনিধির উপস্থিতিতেও তিনি ফরম দেননি এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজের পছন্দের ৪ জনকে ফরম দেন।

২০২৩ সালে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এবং অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে সিনিয়রদের ডিঙিয়ে তিনি এই বিদ্যালয়ে বদলি হয়ে আসেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০২২ থেকে ২০২৪ অর্থবছরের স্লিপের টাকা এবং ঘূর্ণিঝড় রিমালের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ সরকারের দেওয়া ১ লক্ষ টাকা কোনো কাজ না করেই তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ। এছাড়া বিশেষ শিক্ষা সহায়তা ফান্ডের ৩ লক্ষ টাকার আংশিক কাজ করে বাকি টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও দাবি উঠেছে।

২০২৫ ও ২০২৬ সালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উন্নয়ন ও পরীক্ষার ফি-র নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

৮০০ জন শিক্ষার্থীর দুপুরের বরাদ্দ থাকলেও ৬০০-৬৫০ জনের খাবার এনে বাকি টাকা বা খাবার আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে।

​এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী অভিভাবকেরা প্রধান শিক্ষকের এসব দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost