বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা

চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা—৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে উসকানিমূলক ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির শায়েখে চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, গত ২০ জুন জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। তিনি নিজেকে যুবদল নেতা বলে দাবি করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ জুন ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে কুমিল্লা—৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীকে নিয়ে কটূক্তি, বিদ্রুপ ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি ইউটিউব ভিডিওতে সংসদ সদস্যের দাড়ি, টুপি ও পোশাক নিয়ে বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করা হয়েছে।

এছাড়া, একটি ফেসবুক আইডি থেকে তার ছবি ব্যবহার করে তাকে ‘গুপ্ত আওয়ামী লীগ নেতা’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে পোস্ট করা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।

কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বলেন,“জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার যুবদল নেতা নন। তিনি পূর্বে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত একজন ব্যক্তি কীভাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে মামলা করেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। মুফতি ফয়জুল করীম একজন শ্রদ্ধেয় নেতা এবং বিগত সরকারের সময়ে নির্যাতনের শিকার ছিলেন।”

 

এ বিষয়ে কুমিল্লা মহানগর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সভাপতি এম এম বিলাল হোসাইন বলেন,“মুফতি ফয়জুল করীমের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আমরা মনে করি। বিষয়টি আমরা আইনগতভাবে মোকাবিলা করব।”

বাদীর বক্তব্য

মামলার বাদী জালাল আহমেদ খোকন তালুকদার বলেন,“আমার নেতা মনিরুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলেই আমি মামলা করেছি।”

 

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন,“ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

এদিকে সদর দক্ষিণ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন,“যে কেউ আইনের আশ্রয় নিয়ে মামলা করতে পারেন। অভিযোগ যাচাই করেই মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে।”

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost