, , ,
শিরোনাম
ভান্ডারিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে ভার্চুয়ালে উদ্বোধন করেন — গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ভাণ্ডারিয়ায় সমতার তারন্য বিষয়ে যুবদের সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে জাতীয় পার্টির নেতা হাবুলকে আটকের পর, মুচলেকা নিয়ে মুক্তি বামনায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর সমাপনীর শুভ উদ্বোধন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় নিষিদ্ধ জাল জব্দ ও বিনষ্ট: উদ্ধারকৃত ইলিশ এতিমখানায় দান উজিরপুরে দুর্গাপূজায় সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে পূজামণ্ডপে পলাশ কুণ্ডু ভাণ্ডারিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত জিয়ানগরে পল্লী চিকিৎসক নেতাসহ দুজনকে কুপিয়ে জখম পিরোজপুরে ইউপি সদস্যের নামে জেলে কার্ড, পাচ্ছেন বরাদ্দের চাল বরিশালে জাতীয় পার্টির মহানগর আহ্বায়ক হাবুল আটক
হিজলায় মা ইলিশ শিকারের অভিযোগ, প্রশাসনের অভিযান নিয়ে প্রশ্ন
দক্ষ মৎস্য অফিসারের না থাকায় ফায়দা নিচ্ছে জেলেরা

হিজলায় মা ইলিশ শিকারের অভিযোগ, প্রশাসনের অভিযান নিয়ে প্রশ্ন

Reporter
প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

বরিশালের হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার ও বেচাকেনা চলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকটি মাছঘাটকে কেন্দ্র করে এসব কর্মকাণ্ড চলছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি। একই সঙ্গে প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করে অবৈধভাবে মা ইলিশ শিকারের অভিযোগও সামনে এসেছে।

এ ঘটনায় সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলতাফ হোসেন খোকন দপ্তরী এবং সদস্য সচিব দেওয়ান মো. মনির হোসেনের নাম উল্লেখ করেছেন অভিযোগকারীরা।অভিযোগ আছে তাদের নির্দেশনায় চালায় অভিযান ও মা ইলিশ শিকার।তবে  তারা ফোন রিসিভ না করার তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ অনুযায়ী, হিজলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী পাঁচটি মাছঘাটে মা ইলিশ শিকার ও বেচাকেনা চলছে। ঘাটগুলো হলো—
১. ৭ নম্বর ঘাটসংলগ্ন কাকড়িয়া বাজার। ২. চরকিল্লার ঘাট। ৩. ওরাকুল ঘাট। ৪. জানপুরে আজাদের ঘাটসংলগ্ন খোকা বেপারীর ঘাট। ৫. আবুপুরের ৩ নম্বর ঘাট, শরীয়তপুর ও হিজলার সীমান্তবর্তী এলাকা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, চার ও পাঁচ নম্বর ঘাট হিজলা এবং শরীয়তপুরের গোসাইরহাট এলাকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসব ঘাটে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার ইলিশ কেনাবেচা হয় বলে দাবি করা হলেও এ বিপুল অঙ্কের লেনদেনের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযানসংক্রান্ত তথ্য ফাঁসের অভিযোগ
অভিযোগকারীদের দাবি, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আলতাফ হোসেন খোকন দপ্তরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে নিয়মিত অবস্থান করেন এবং কখন, কোথায় অভিযান পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করেন।তবে সেখানে দক্ষ মৎস্য কর্মকর্তা না থাকায় এবার সুযোগ নিচ্ছে স্থানীয় জেলেরা।

যা বলছে উপজেলা প্রশাসন
প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করে মা ইলিশ শিকারের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হিজলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “আমাদের অভিযান শুরু হয়েছে। এর মধ্যে গতকাল মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে গিয়ে স্থানীয় জেলেদের হামলার শিকার হয়েছেন অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা। আপনার উল্লেখ করা স্থানগুলোতে আমরা অভিযান পরিচালনা করব।”

অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আপনারা যাঁদের নাম বলছেন, তাঁরা উপজেলায় কাজ করতে আসেন। অভিযানের কোনো তথ্য কাউকে দেওয়া হয় না।”

নদীর বিস্তীর্ণ এলাকা হওয়ায় একসঙ্গে সব স্থানে অভিযান পরিচালনা করা কঠিন বলে জানান ইউএনও। তবে মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

মা ইলিশ রক্ষায় কার্যকর অভিযানের দাবি
মা ইলিশের প্রজনন রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় হিজলার মেঘনা নদীর উল্লিখিত ঘাটগুলোতে নিষিদ্ধ সময়ে মা ইলিশ শিকার ও বেচাকেনার অভিযোগ সরেজমিনে যাচাই করার দাবি উঠেছে।

অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট মাছঘাটগুলোতে অভিযান, মাছের আড়ত ও বেচাকেনার হিসাব পরীক্ষা এবং অভিযানের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost