, , ,
শিরোনাম
নেছারাবাদে ভাঙনে বিলীন রাজাবাড়ি-জিলবাড়ি সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ কাউখালীতে পুলিশের উদ্যোগে আইন—শৃঙ্খলা সভা: মাদক, বাল্যবিবাহ ও অপরাধ দমনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান সংবাদ প্রকাশের পর দৌড়ঝাঁপে বাবুগঞ্জের জনস্বাস্থ্যের সহকারী প্রকৌশলী! দুই বছরের মধ্যে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জকে বদলে দেওয়ার প্রত্যয়—সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ‘গুপ্ত ও হাইব্রিড’ অভিযোগে কমিটি বাতিলের দাবিতে বরিশালে বিএনপির বিক্ষোভ বরগুনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হাতেম আলী কলেজে যোগদান করতে পারেননি অধ্যাপক মেহবুবা আলম কাউখালীর জোলাগাতি খালে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো; শতাধিক মানুষের দুর্ভোগ, পাকা সেতুর দাবিতে এলাকাবাসী নলছিটিতে গাঁজাসহ পৌর ছাত্রদল নেতা আদনান রু‌বেল আটক, আদালতে প্রেরণ
ময়নাতদন্তের পর লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন চিকিৎসক

ময়নাতদন্তের পর লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন চিকিৎসক

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রস্তুত হয়েছে। রিপোর্ট দেখে হত্যার লোমহর্ষক কিছু তথ্য প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা।

সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মো. মাজহারুল হক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত শারমিন খানম, তার ভাই রসুল মোল্লা, বড় দুই মেয়ে মীম ও হাবিবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া, তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে নির্মমভাবে ধারালো অস্ত্র চালানো হয়। আর ছোট মেয়ে ফারিয়াকে ঘরের মেজেতে ফেলে মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। চিকিৎসক এও বলেন, স্ত্রী শারমিন খানমকে দুই হাত ও মুখ বেঁধে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মো. মাজহারুল হক বলেন, হত্যার আগ মুহূর্তে নিহতদের কোনো চেতনানাশক দ্রব্য খাওয়ানো হয়েছিল কিনা সেটা নিশ্চিত হতে নিহতদের পেটের ভেতরের খাবার ও ঘরে পাওয়া নেশা জাতীয় দ্রব্যের বোতল, রান্না করা সেমাই ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য সংগ্রহ করে সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ওই ল্যাবের প্রতিবেদন পেলে বাকিটা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালীগঞ্জ সার্কেল) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, নিহতদের দ্রুত ময়নাতদন্তের পর আজ প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গত শনিবার রাতে শারমিন খানমের বাবা নিহতের স্বামী ফোরকান মোল্লাকে (৪০) প্রধান করে অজ্ঞাত চারজনের নামে হত্যা মামলা করেছেন। ফোরকান মোল্লাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনসহ (পিবিআই) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৯ মে) সকালে জেলার কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী মজিবুর রহমানের একটি আবাসিক ভবনের নিচতলার দুটি কক্ষ থেকে ওই পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তারা গোপালগঞ্জ জেলা সদর থেকে জীবীকার তাগিদে গাজীপুরে বসবাস করতেন। দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে পরিকল্পিতভাবে স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালককে হত্যা করে অভিযুক্ত ফোরকান মিয়া। এ সময় মরদেহের পাশে একটি চিরকুটে সবাইকে মেরে ফেলার কথা লিখে যায় ফুরকান। এ ছাড়া, স্ত্রীর বিরুদ্ধে ফুরকানের লেখা একটি অভিযোগপত্রও পাওয়া যায়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost