, , ,
শিরোনাম
নেছারাবাদে ভাঙনে বিলীন রাজাবাড়ি-জিলবাড়ি সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ কাউখালীতে পুলিশের উদ্যোগে আইন—শৃঙ্খলা সভা: মাদক, বাল্যবিবাহ ও অপরাধ দমনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান সংবাদ প্রকাশের পর দৌড়ঝাঁপে বাবুগঞ্জের জনস্বাস্থ্যের সহকারী প্রকৌশলী! দুই বছরের মধ্যে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জকে বদলে দেওয়ার প্রত্যয়—সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ‘গুপ্ত ও হাইব্রিড’ অভিযোগে কমিটি বাতিলের দাবিতে বরিশালে বিএনপির বিক্ষোভ বরগুনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হাতেম আলী কলেজে যোগদান করতে পারেননি অধ্যাপক মেহবুবা আলম কাউখালীর জোলাগাতি খালে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো; শতাধিক মানুষের দুর্ভোগ, পাকা সেতুর দাবিতে এলাকাবাসী নলছিটিতে গাঁজাসহ পৌর ছাত্রদল নেতা আদনান রু‌বেল আটক, আদালতে প্রেরণ
বরিশাল শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী-ড. জিয়া উদ্দিন হায়দার

বরিশাল শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী-ড. জিয়া উদ্দিন হায়দার

Reporter
প্রতিবেদক : বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত : সোমবার, ০১ জুন, ২০২৬

বরিশাল শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. জিয়া উদ্দিন হায়দার।

সোমবার (১ জুন) দুপুর সোয়া ১টার দিকে বরিশাল নগরীর আমানতগঞ্জে অবস্থিত শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের ছয়টি বিভাগীয় শহরে ছয়টি শিশু হাসপাতাল রয়েছে। এগুলো অনেক আগেই চালু হওয়ার কথা ছিল। বিগত সরকার অবকাঠামো নির্মাণে যতটা যত্নবান ছিল, কিন্তু এসব হাসপাতাল ব্যবহার করে কীভাবে মানুষকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে যথেষ্ট গাফিলতি ছিল। আমরা অতীতের দিকে যেতে চাই না, সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

তিনি বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন বিভাগীয় শহরগুলোর এই ছয়টি হাসপাতাল অনতিবিলম্বে চালু করতে। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাজ চলছে।

ড. জিয়া উদ্দিন হায়দার আরও বলেন, শের—ই—বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, সহকারী পরিচালক, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা হাসপাতালটি চালুর জন্য একটি খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে কী কী বিভাগ থাকবে, কী ধরনের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে, কতজন জনবল প্রয়োজন হবে, নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের বিষয়গুলো এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই পদ্ধতি অনুসরণ করে অন্যান্য বিভাগের শিশু হাসপাতালগুলোও পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আগামী আগস্ট মাসের শুরুতে হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর পর্যায়ক্রমে হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করা হবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম, জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন, জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস. এম. মনজুর—এ—এলাহীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 Raytahost.Com
Design by RaytaHost