কাজিরহাট হিন্দু সম্প্রদায়ের বিষ্ণুপ্রিয়ার গরু চুরি। চোরকে জনতার হাতে আটক করে। ছেড়ে দিলেন দালাল চক্র। ঘটনা স্থলে পুলিশ।
বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার দুই নং লতা ইউনিয়নের চর সন্তোষপুর গ্রামের বিষ্ণুপ্রিয়ার একটি গরু গতকাল ৩মেগভীর রাতে চুরি করে নিয়ে যায়। পশ্চিম রতনপুর গ্রামের রফিক কেরানির ছেলে হোসেন চোরা। এলাকার সূত্রে জানা যায়।
পশ্চিম রতনপুর গ্রামের ১ নং ওয়ার্ডের সরদার আনুমানিক সকাল ৫:৩০ মিনিটে গরু চোর হোসেনকে দেখতে পায়, একটি গরু নিয়ে পঙ্কজ দেবনাথ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে ধরার জন্য দাওয়া করে। অতঃপর গিয়াস সদ্দার এর সন্দেহ হলে হোসেন চোরকে গরুটিসহ আটক করে। নিয়ে যান। ১ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ সজলের কাছে। সজল মাসুম নলি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। গিয়াস সরদার গরু হস্তান্তর করেন গ্রাম পুলিশ সজলের কাছে। ইতিমধ্যে গরু চোর হোসেন তাদের কাছ থেকে সরে যায়।
এলাকাবাসীর একটাই প্রশ্ন গিয়াস সরদার গ্রাম পুলিশ সজল ওমাসুম নলির কাছে চোর হোসেনকে হাতে পৌঁছে দিলে সে কিভাবে পালিয়ে যায়। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়।ঘটনা স্থলে প্রায় শতাধিক লোক উপস্থিত হন। এবং কাজিরহাট থানার এস আই মইন ঘটনা জানতে পেরে ঘটনা স্থলে গিয়ে চোরা গরুটি গ্রাম পুলিশ সজলের কাছে জিম্মায় দিয়া দিয়ে আসেন। গোপন সূত্রে জানা যায় সজলের সাথে ওই এলাকার আরো দুইজন চোর জড়িত আছে। সাধারণ মানুষের ভিতরে ব্যাপক চাপাক্ষোভ।
সনাক্ত করা চোর হাতেনাতে ধরা সে কিভাবে ওখান থেকে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসীর ধারণা মাসুম নলির সহযোগিতায় এই চোর ওখান থেকে সরে যায়। এলাকা সূত্রে আরো জানা যায় হোসেন কেরানি দীর্ঘদিন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত এবং এলাকায় অনেক অপকর্মের সাথে জড়িত আছে। গরুর মালিক বিষ্ণুপ্রিয়ার ব্যাপারে এলাকা জানাজায় সে দীর্ঘদিন মাদক সাথে জড়িত।
এলাকার লোক থানায় আসলেও রহস্যজনক কারণে এখনো বিষ্ণুপ্রিয়া থানায় আসেনি। এই ব্যাপারে কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ সিদ্দিকুর রহমানের সাথে আলাপ করলে।সে জানায় বাদী অভিযোগ দিলে অবশ্যই আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব। চিহ্নিত চোর হোসেন কেরানিকে কোন প্রকারে ছাড় দেওয়া হবে না। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো কোন মামলা হয়নি।