
বরগুনার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সুপ্রিয়া হালদার নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, তাকে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করা হলেও প্রকৃতপক্ষে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত সুপ্রিয়া হালদার ওই এলাকার বিমল মাস্টারের ছেলে অজয় হালদারের স্ত্রী।
নিহতের বাবার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, অজয় হালদারের পরকীয়া সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। এর জের ধরে সুপ্রিয়াকে হত্যা করা হয়েছে বলে তাদের সন্দেহ। তারা এ ঘটনার জন্য সুপ্রিয়ার স্বামী অজয় হালদারকে দায়ী করেছেন।
পরিবারের সদস্যরা আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পর সুপ্রিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখানে তার মরদেহ ফেলে রেখে শ্বশুরবাড়ির স্বজনরা পালিয়ে যান।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত অজয় হালদার বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা হবে।